তাড়াশ(সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি : আমবাড়িয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপারের কাছে ২ লক্ষ টাকা চাদা দাবি করে এলাকার প্রভাবশালীরা চাঁদা না পেয়ে সংঘবদ্ধভাবে সুপারকে মারধর করে এবং অফিসের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে।
ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ থানার মাগুরা বিনোদ ইউনিয়নের আমবাড়িয়া গ্রামে।
আমবাড়িয়া দাখিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার মোঃ ফজলুল হক ৯ জনকে আসামি করে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্তরা হলেন,
মোঃ ইউসুব (৪৫), পিতা: মোঃ চাঁদ আলী, মোঃ ফজলুল (৫০), পিতা: মৃত দেছের প্রাং, মোঃ মানিক (৩৫), পিতা: মৃত আঃ রহিম, মোঃ ইদ্দিস (৩৩), পিতা: মোঃ মন্টু, মোঃ মিজানুর (৪০), পিতা: মোঃ আবু বক্কার সিদ্দিক, মোঃ আবুল কালাম আজাদ (৪৫), পিতা: মোঃ নুরুল ইসলাম, মোঃ সবুজ (৩৫), পিতা: মোঃ জামাল, মোঃ আহাদ (২৩), পিতা: মোঃ আশরাফ, মোঃ সিয়াম (২২), পিতাঃ মোঃ আলহাজ, গ্রাম আমবাড়িয়া, থানা: তাড়াশ, জেলা: সিরাজগঞ্জ।
আমবাড়িয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার (ভারপ্রাপ্ত) জানান, বিগত ০৭-০১-২০২৬ইং তারিখে উপরোক্ত মাদ্রাসার ম্যানিজিং কমিটি সম্পূর্ণরূপে গঠন করা হয়। তারই জের ধরে, বিবাদীগণ উক্ত কমিটিতে সদস্য হিসেবে না থাকতে পেরে গত ২৫-০১-২০২৬ইং তারিখ সকাল অনুমান ১১:৩০ ঘটিকার সময় বিবাদীগণ পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে বেআইনি জনতায় দলবদ্ধ হইয়া হাতে লোহার রড, লোহার পাইপ, বাঁশের লাঠি ও কাঠের বাটাম ইত্যাদি হাতে নিয়ে উপরোক্ত প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করে প্রতিষ্ঠানে আমার অফিস রুমে ঢুকে আমার নিকট হইত ২,০০,০০০/-(দুই লকা) টাকা চাঁদা দাবি করে। তখন আমি চাঁদার টাকা দিতে অস্বিকার করিলে, বিবাদীগণ রাগান্বিত হয়ে ২নং বিবাদী ফজলুল এর হুকুমে, বিবাদীগণ আমাকে কিল-ঘুষি দিয়ে জোরপূর্ব ভাবে ধরে রাখে এবং বিবাদীগনের হাতে থাকা লোহার রড, লোহার পাইপ, বাঁশের লাঠি ও কাঠের বাটাম ইত্যাদি দিয়ে অফিস রুমের মধ্যে থাকা আসবাবপত্র ভাংচুর করে, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছিরে নষ্ট করে, অফিসের কম্পিউটার ল্যাবে ঢুকে ০১টি কম্পিউটার সেট ভেঙ্গে ফেলে আমাদের প্রতিষ্ঠানের আনুমানিক ৩,০০,০০০/- (তিন লক্ষ) টাকার ক্ষতিসাধন করে। আমি ডাক-চিৎকার করিলে মোঃ নাজমুল হুদা (৪৩), পিতা: মৃত আলী আজগার, মোঃ ইয়াকুব (৪০), পিতা: মৃত ইমান আলী, মোঃ আলমগীর (৪৫), পিতা: মোঃ আবুল হোসেন, মোঃ আঃ মালেক (৫০), পিতা: মৃত সব্দের আলীসহ অনেকেই ঘটনাস্থলে আগাইয়া আসিলে, বিবাদীগণ আমাদের সকলকে বিভিন্ন ধরণের ভয়ভীতি-প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে। উপরোক্ত ব্যক্তিবর্গ সহ ঘটনাটি আরো অনেকে জানে ও দেখেছে।
এ প্রসঙ্গে তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি মোঃ হাবিবুর রহমান জানান আমি অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।